1. live@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ : অগ্রগামী বাংলাদেশ
  2. info@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অভিযানে আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান, আলোচনার পথ খোলা রাখার বার্তা সুপার এল নিনোর প্রভাবে ৬ মাসে ২ লাখ ৩৯ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প ‎ পুতিনের যুদ্ধ বন্ধে অব্যাহত চাপের আহ্বান জেলেনস্কির জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা পেজেশকিয়ানের, গুরুত্ব দিলেন কূটনীতিতে মায়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে পুতিনকে আমন্ত্রণ ট্রাম্প প্রশাসনের কাদের মির্জা সহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নজর এখন জাতিসংঘের ভাষণে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আর্কটিক নিরাপত্তা চুক্তি

নোয়াখালীতে ইলিশের বাজারে আগুন, কেজি ২–৩ হাজার টাকা

জেলা প্রতিনিধি : মোঃ আরিফ হোসেন।
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও কাঙ্ক্ষিত সরবরাহ নেই। চাহিদার তুলনায় বাজারে ইলিশের পরিমাণ কম থাকায় বেড়েছে দাম। বর্তমানে আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

‎নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চেয়ারম্যানঘাট, যা ইলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাট হিসেবে পরিচিত—সেখানে প্রতিদিন ভোর থেকেই নদী থেকে মাছ নিয়ে ফিরছেন জেলেরা। নৌকা ঘাটে ভেড়ার পর শুরু হয় মাছ নামানো, বাছাই, নিলাম ও বেচাকেনা।

‎‎তবে ইলিশের ভরা মৌসুমেও অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, নদীতে ইলিশের পরিমাণ কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে।

‎‎সরেজমিনে বাজারে দেখা যায়, ইলিশের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় অনেকেই মাছ না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন। কেউ সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট আকারের ইলিশ কিনছেন, আবার অনেকে ইলিশের পরিবর্তে অন্য মাছ বেছে নিচ্ছেন।

‎ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে জাটকাসহ ছোট মাছ ধরা, ছোট ইলিশ বড় হওয়ার আগেই শিকার এবং মা ইলিশ ধরার কারণে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কমে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে নিষিদ্ধ জাল ও অবৈধ মাছ শিকার বন্ধে আরও কার্যকর নজরদারি ও অভিযান চান তারা।

‎মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালীতে গত পাঁচ অর্থবছরে ইলিশ আহরণের পরিমাণ ছিল—২০২০-২১ অর্থবছরে ২২ হাজার ৬২১ মেট্রিক টন, ২০২১-২২ অর্থবছরে ২২ হাজার ১৯১ মেট্রিক টন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২২ হাজার ৭৫১ মেট্রিক টন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৮ হাজার ৫৬৪ মেট্রিক টন এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৩ হাজার ২৫৬ মেট্রিক টন।

‎‎তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইলিশ আহরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও পরের অর্থবছরে তা আবার বেড়েছে। তবে চলতি মৌসুমে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ ও দামের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা।

‎‎ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় শুধু ক্রেতাই নন, জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অনেকেই ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎‎এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ইলিশ সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের সচেতন করা হচ্ছে।

‎নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ইলিশ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীতে ইলিশের উৎপাদন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে শুধু অভিযান পরিচালনাই যথেষ্ট নয়।

‎জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান ও জীবিকার ব্যবস্থা করাও জরুরি।

‎তাদের প্রত্যাশা, কার্যকর সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদীতে আবারও ইলিশের সরবরাহ বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে ইলিশের দাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট