
ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। ২০২৬ সালের আগস্টে দেওয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসতে চান।
শেখ হাসিনা জানান, দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার বা কারাবন্দি করা হতে পারে—এমন সম্ভাবনা তিনি জানেন। তবুও দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।
তবে ঘোষিত সময়সীমা ঘনিয়ে এলেও তার দেশে ফেরার বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ বা বাস্তব প্রস্তুতির বিষয়টি স্পষ্ট নয়। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে তার দেশে ফেরা নিয়ে দলীয় পর্যায়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়, এর সঙ্গে আইনি ও কূটনৈতিক বিষয়ও জড়িত। ভারত থেকে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে দুই দেশের সম্পর্ক, প্রত্যর্পণসংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া এবং ভারতের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ফলে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা সত্যিই দেশে ফিরবেন কি না, নাকি ঘোষণাটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে—তা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।