
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে নতুন কয়েকটি খাতকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে—এমন বিমান সংস্থা, বিমান লিজিং কোম্পানি, নৌপরিবহন খাত এবং ডিজিটাল সম্পদ ভবিষ্যৎ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে।
বুধবার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ইরানকে সহযোগিতা করছে এমন বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করছে। তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা করলে তার পরিণতি হতে পারে।
এর আগে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, ইরানের ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধেও নতুন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো ইরানের বৈদেশিক আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিমান পরিবহন, নৌপরিবহন ও ডিজিটাল সম্পদের মতো খাতকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার উদ্যোগ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অর্থনৈতিক চাপকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।
বেসেন্ট একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দেশকে ইরানকে সহযোগিতা না করার আহ্বান জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপে ইরানের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।