1. live@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ : অগ্রগামী বাংলাদেশ
  2. info@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অভিযানে আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান, আলোচনার পথ খোলা রাখার বার্তা সুপার এল নিনোর প্রভাবে ৬ মাসে ২ লাখ ৩৯ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প ‎ পুতিনের যুদ্ধ বন্ধে অব্যাহত চাপের আহ্বান জেলেনস্কির জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা পেজেশকিয়ানের, গুরুত্ব দিলেন কূটনীতিতে মায়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে পুতিনকে আমন্ত্রণ ট্রাম্প প্রশাসনের কাদের মির্জা সহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নজর এখন জাতিসংঘের ভাষণে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আর্কটিক নিরাপত্তা চুক্তি

পুতিন–আল-শারা আলোচনা: রাশিয়া-সিরিয়া সম্পর্ক ও সামরিক ঘাঁটি নিয়ে নতুন সমঝোতা ‎

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়া ও সিরিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক নতুন বাস্তবতায় পুনর্গঠনের ইঙ্গিত মিলেছে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক ফোনালাপে।

‎বুধবার, ২৬ আগস্ট রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন।

‎আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে থাকা হমেইমিম বিমানঘাঁটি ও তারতুস সামরিক স্থাপনার ভবিষ্যৎ। ৯ আগস্ট মস্কো ও দামেস্ক এসব স্থাপনায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি পুনর্গঠনের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে পৌঁছেছিল।

‎প্রায় ১৮ মাসের আলোচনার পর হওয়া ওই সমঝোতাকে দুই দেশ তাদের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার একটি নতুন কাঠামো হিসেবে দেখছে।

‎নতুন ব্যবস্থায় হমেইমিম ও তারতুসের সামরিক স্থাপনাগুলোকে যৌথ প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বেসামরিক স্থাপনাগুলোর ব্যবস্থাপনায় সিরিয়ার ভূমিকা বাড়ানোর কথা রয়েছে।

‎ফলে সিরিয়ায় রাশিয়ার দীর্ঘদিনের সামরিক উপস্থিতি পুরোপুরি শেষ হওয়ার পরিবর্তে নতুন কাঠামোয় পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

‎ফোনালাপে পুতিন সিরিয়ার ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি রাশিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী ইসরায়েলি হামলারও বিরোধিতা করেছে মস্কো।

‎এদিকে দুই নেতা রাজনৈতিক সংলাপ আরও গভীর করার পাশাপাশি বাণিজ্য, অর্থনীতি, মানবিক সহায়তা ও অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেন।

‎আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়েও তারা একমত হয়েছেন।

‎বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। মস্কো একদিকে তার দীর্ঘদিনের কৌশলগত স্বার্থ ও ভূমধ্যসাগরীয় উপস্থিতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে দামেস্কও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন না করে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহযোগিতার পথ খুঁজছে।

‎সব মিলিয়ে, পুতিন ও আল-শারার এই আলোচনা শুধু দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, বরং সিরিয়ায় রাশিয়ার ভবিষ্যৎ সামরিক ও কৌশলগত ভূমিকা কী হবে—সেই প্রশ্নেও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট