1. live@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ : অগ্রগামী বাংলাদেশ
  2. info@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অভিযানে আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান, আলোচনার পথ খোলা রাখার বার্তা সুপার এল নিনোর প্রভাবে ৬ মাসে ২ লাখ ৩৯ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প ‎ পুতিনের যুদ্ধ বন্ধে অব্যাহত চাপের আহ্বান জেলেনস্কির জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা পেজেশকিয়ানের, গুরুত্ব দিলেন কূটনীতিতে মায়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে পুতিনকে আমন্ত্রণ ট্রাম্প প্রশাসনের কাদের মির্জা সহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নজর এখন জাতিসংঘের ভাষণে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আর্কটিক নিরাপত্তা চুক্তি

দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে জ্বালানি খাতের তীব্র সংকট

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

জুন মাসেই পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।


‎তবে দাম বাড়ানোর পর দুই মাস পার হতে চললেও বিদ্যুৎ সরবরাহের চিত্র এতটুকু বদলায়নি; বরং প্রতিদিন নতুন নতুন রেকর্ড ভাঙছে লোডশেডিং। জ্বালানির মারাত্মক ঘাটতি, আমদানিনির্ভর এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে পাহাড়সম বকেয়া বিল জমে থাকা—সব মিলিয়ে দেশের বিদ্যুৎ খাত আজ এক জটিল ও ত্রিমুখী সংকটে এসে দাঁড়িয়েছে।

‎দেশের বিদ্যুৎ খাতের বিদ্যমান এই মহাবিপর্যয় একদিনে তৈরি হয়নি। একাধিক অবকাঠামোগত, অর্থনৈতিক এবং জ্বালানি সরবরাহজনিত কারণে পুরো ব্যবস্থাটি মুখ থুবড়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নে সংকটটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

‎বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মোট সক্ষমতা রয়েছে ২৯ হাজার মেগাওয়াট। অথচ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে যেখানে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৬২ মেগাওয়াট, সেখানে সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হয়েছে মাত্র সাড় ১২ হাজার মেগাওয়াট। অর্থাৎ, অর্ধেকেরও বেশি উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি অভাবে কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

জ্বালানি সংকট ও জরুরি রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে বর্তমানে দেশের ৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। যেগুলো চালু আছে, সেগুলোর অধিকাংশও পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

‎এর ফলে সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিং অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।

‎গত রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট, যা রাত ১টায় দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে। ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের রেকর্ড। এর আগে ৩ আগস্ট লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট এবং ২০২৩ সালের ২৭ জুন ছিল ৩ হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট।

‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত দেড় দশকে পাইকারি পর্যায়ে ১২ বার এবং খুচরা পর্যায়ে ১৪ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলেও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি উৎস নিশ্চিত করা হয়নি। উৎপাদন না করলেও কেন্দ্র গুলোকে বিপুল পরিমাণ ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়া দিতে হয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি ও বিদেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলোর কাছে পিডিবির দেনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট