1. live@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ : অগ্রগামী বাংলাদেশ
  2. info@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অভিযানে আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান, আলোচনার পথ খোলা রাখার বার্তা সুপার এল নিনোর প্রভাবে ৬ মাসে ২ লাখ ৩৯ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প ‎ পুতিনের যুদ্ধ বন্ধে অব্যাহত চাপের আহ্বান জেলেনস্কির জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা পেজেশকিয়ানের, গুরুত্ব দিলেন কূটনীতিতে মায়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে পুতিনকে আমন্ত্রণ ট্রাম্প প্রশাসনের কাদের মির্জা সহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নজর এখন জাতিসংঘের ভাষণে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আর্কটিক নিরাপত্তা চুক্তি

ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান: তিনি কি শান্তি আলোচনার অচলাবস্থা কাটাতে পারবেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসানে শান্তি আলোচনা যখন অচলাবস্থায়, তখন নতুন করে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সোমবার তেহরানে পৌঁছেছেন।

‎ইরানের সঙ্গে আলোচনায় মুনিরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগের পথ আবার সক্রিয় করা এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার সুযোগ তৈরি করা। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তেহরানে তিনি নতুন কিছু প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করছেন।

‎মুনিরের এই সফরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুমকির কারণে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞার প্রতি সহযোগিতাকে ‘যুদ্ধের কাজ’ হিসেবে বিবেচনা করার সতর্কতা দিয়েছে।

‎এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতাও হয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগ দ্রুত ভেঙে পড়ে। ফলে এবার মুনিরের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—দুই পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া গভীর অবিশ্বাস কমিয়ে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা।

‎তবে পাকিস্তানের প্রভাব কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—দুই দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখে এবং অতীতেও মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাসের মতো জটিল বিষয়গুলো সমাধান করা সহজ নয়।

‎তবু মুনিরের তেহরান সফরকে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ পুনঃস্থাপনে সফল হয়, তাহলে নতুন করে শান্তি আলোচনার পথ খুলতে পারে। এখন মূল প্রশ্ন—আসিম মুনির কি সত্যিই ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অচলাবস্থা কাটিয়ে আলোচনাকে আবার এগিয়ে নিতে পারবেন?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট