1. live@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ : অগ্রগামী বাংলাদেশ
  2. info@www.agragamibangladesh.com : অগ্রগামী বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অভিযানে আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান, আলোচনার পথ খোলা রাখার বার্তা সুপার এল নিনোর প্রভাবে ৬ মাসে ২ লাখ ৩৯ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প ‎ পুতিনের যুদ্ধ বন্ধে অব্যাহত চাপের আহ্বান জেলেনস্কির জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা পেজেশকিয়ানের, গুরুত্ব দিলেন কূটনীতিতে মায়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে পুতিনকে আমন্ত্রণ ট্রাম্প প্রশাসনের কাদের মির্জা সহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নজর এখন জাতিসংঘের ভাষণে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আর্কটিক নিরাপত্তা চুক্তি

আর্জেন্টিনায় সরে গেল সমুদ্রের পানি—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবির সত্যতা কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

আর্জেন্টিনার মার দেল প্লাতা উপকূলের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সমুদ্রের পানি অনেকটা সরে গেছে এবং পানির নিচে থাকা বিস্তীর্ণ একটি পাথুরে অংশ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

‎ভিডিওটি দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করছেন, সমুদ্রের পানি নাকি রাতারাতি কয়েক কিলোমিটার পিছিয়ে গেছে বা সমুদ্রের একটি বড় অংশ শুকিয়ে গেছে।

‎তবে এই দাবির ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

‎স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি মার দেল প্লাতার Punta Mogotes এলাকার Faro de Punta Mogotes-এর কাছে। পানি সরে যাওয়ার ফলে সেখানে আগে থেকেই থাকা একটি প্রাকৃতিক পাথুরে গঠন—Restinga del Faro—দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। এটি নতুন কোনো দ্বীপ নয় এবং সমুদ্রের তলদেশ থেকে নতুন কোনো ভূমি উঠে আসার ঘটনাও নয়।

‎অর্থাৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া “সমুদ্র শুকিয়ে গেছে” বা “নতুন দ্বীপ জেগে উঠেছে”—এ ধরনের বক্তব্যকে সরাসরি সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

‎তাহলে পানি এতটা সরে গেল কেন?

‎সমুদ্রের উপকূলীয় পানির উচ্চতা স্বাভাবিকভাবেই জোয়ার-ভাটা, বাতাস, বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে পরিবর্তিত হয়। মার দেল প্লাতা উপকূলে এ ধরনের অস্বাভাবিক সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক নজিরও রয়েছে।

‎আর্জেন্টিনার সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান INIDEP জানিয়েছে, বায়ুমণ্ডলীয় চাপের দ্রুত পরিবর্তন থেকে meteotsunami ধরনের সমুদ্রের অস্বাভাবিক তরঙ্গ তৈরি হতে পারে। তবে ২০২৬ সালের আগস্টে Punta Mogotes-এ পানি সরে যাওয়ার ঘটনাটিকে সরাসরি একটি মেটিওটসুনামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

‎স্থানীয় প্রতিবেদনে বরং ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক বা উল্লেখযোগ্য ভাটার সময় উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক শিলাস্তর হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। Restinga del Faro সাধারণত পানির নিচে থাকে; সমুদ্রের পানি কমে গেলে সেটি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

‎তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওটি বাস্তব ঘটনার হলেও, ভিডিওকে ঘিরে ছড়ানো সব ব্যাখ্যা সঠিক নয়।

‎সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আর্জেন্টিনার সমুদ্র শুকিয়ে যায়নি, নতুন কোনো দ্বীপও হঠাৎ তৈরি হয়নি। বরং নির্দিষ্ট সময়ের সমুদ্রপৃষ্ঠের নিম্ন অবস্থার কারণে আগে পানির নিচে থাকা একটি প্রাকৃতিক পাথুরে গঠন দৃশ্যমান হয়েছে।

‎আর এমন পরিস্থিতিতে পানির সরে যাওয়া দেখে সমুদ্রের দিকে এগিয়ে যাওয়াও নিরাপদ নয়। কারণ বাতাস, স্রোত ও জোয়ারের পরিবর্তনে অল্প সময়ের মধ্যেই পানি আবার দ্রুত ফিরে আসতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট