জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে দেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভাষণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা এবং জনগণের রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনাও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরার কথা রয়েছে।
এবারের সফরে শুধু জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়াই নয়, বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
জাতিসংঘের মঞ্চে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার মতো বিষয়ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশ শুধু নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরবে না, বরং দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, সংস্কার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।
সব মিলিয়ে, জাতিসংঘের এবারের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের চলমান পরিবর্তন, রাষ্ট্র সংস্কারের পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভবিষ্যৎ ভূমিকার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।
অগ্রগামী বাংলাদেশ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত